প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৫, ১৭:৩৯
অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছে, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে জানানো হয়, জনগণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার হচ্ছে যথাসময়ে নির্বাচন আয়োজন এবং এ প্রক্রিয়াকে বানচাল করার সব প্রচেষ্টা প্রতিহত করা।
বিবৃতিতে বলা হয়, কোনো ষড়যন্ত্র, বাধা বা অশুভ শক্তি গণতন্ত্রের পথে দেশের অগ্রযাত্রাকে থামাতে পারবে না। বাংলাদেশের জনগণ ও অন্তর্বর্তী সরকার মিলেই গণতন্ত্রের বিজয় নিশ্চিত করবে।
শুক্রবার রাতে রাজধানীর বিজয়নগরে গণঅধিকার পরিষদ ও জাতীয় পার্টির কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ করে। এতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ চারজন আহত হন। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়।
বিবৃতিতে নুরুল হক নুরের ওপর হামলাকে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের চেতনার ওপর আঘাত হিসেবে উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করা হবে এবং কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি জবাবদিহিতা থেকে রেহাই পাবে না।
অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছে, আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বিশেষ মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশেও পাঠানো হবে।
বিবৃতিতে নুরুল হক নুরের কোটা সংস্কার আন্দোলনে ঐতিহাসিক ভূমিকা এবং জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের কথা তুলে ধরা হয়। তাকে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার আদায়ের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিগুলোর প্রতি আহ্বান জানায়, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হতে। সংকটকালে অর্জিত সাফল্য ধরে রাখতে সবার সহযোগিতা অপরিহার্য বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে রোববার বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি নেতাদের সঙ্গে সরকারের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে ঘিরে সংলাপ ও সমঝোতার মাধ্যমে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আনার চেষ্টা চলছে।