এবার বরিশালে তিন কন্যার নাম রাখা হলো স্বপ্ন-পদ্মা-সেতু

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার ২৩শে জুন ২০২২ ০১:১৪ অপরাহ্ন
এবার বরিশালে তিন কন্যার নাম রাখা হলো স্বপ্ন-পদ্মা-সেতু

নারায়ণগঞ্জের পর এবার বরিশালে জন্ম নেওয়া তিন কন্যাশিশুর নাম স্বপ্নের পদ্মা সেতুর নামে ‘স্বপ্ন-পদ্মা-সেতু’ নামকরণ করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) সকালে বরিশাল নগরের সদররোডের একটি বেসরকারি হাসপাতালে এ তিন কন্যাশিশুর জন্ম হয়।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি এলাকার বাসিন্দা ও ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেলচালক বাবু সিকদারের স্ত্রী নুরুন্নাহার বেগমকে (২১) আজ সকালে নগরের ডা. মোখলেছুর রহমান (প্রা.) হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করা হয়।


সকালে সাড়ে ৮টার দিকে জরুরি ভিত্তিতে ডা. মুন্সী মুবিনুল হক অস্ত্রোপচার করেন। সিজারিয়ানের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া তিন নবজাতক ও তার মা সুস্থ আছেন বলেও জানিয়েছেন ডা. মুন্সী মুবিনুল হক।তিনি বলেন, সদ্য ভূমিষ্ট শিশুদের মধ্যে দুজনের ওজন দেড়কেজি এবং একজনের ১ কেজি ৪ শত গ্রাম। আশাকরি তারা সবাই যথাসময়ে সুস্থভাবে বাড়িতে ফিরতে পারবেন।


এদিকে কন্যাশিশুর বাবা বাবু সিকদার বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মাত্র দুদিন আগে আমার তিন কন্যা পৃথিবীর মুখ দেখেছে। তাদের নিয়ে অনেক স্বপ্ন রয়েছে আমাদের। আমার তিন কন্যা সন্তান যেভাবে আমাদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে, তেমনি পদ্মা সেতু পেয়েও আমরা দক্ষিণাঞ্চলবাসী খুব খুশি। সকাল থেকে যারাই আমার সন্তানদের দেখতে এসেছেন তারাই বলেছেন সন্তানদের নাম যেন স্বপ্নের পদ্মা সেতুর সঙ্গে মিলিয়ে রাখি। অবশেষে তিন সন্তানের নাম রাখলাম স্বপ্ন, পদ্মা ও সেতু। তারা যেন বড় হয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করে এ কামনা করছি। আর আল্লাহ যেন আমাদের সংসারকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়তা করে সেজন্য প্রার্থনা করছি।


বাবু সিকদার বলেন, আমার স্ত্রী গর্ভবতী হওয়ার পর থেকে ইসলামিয়া হাসপাতালে ডা. তানিয়া আফরোজকে দেখিয়েছিলাম। ডেলিভারির সময় ঘনিয়ে আসায় সকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এরপর ডা. তানিয়া আফরোজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিকেল ছাড়া সময় দিতে পারবেন না বলে জানান। কিন্তু স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়ে যাওয়ায় আমরা জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মুন্সী মুবিনুল হকের স্মরণাপন্ন হই। তিনিই সফলভাবে সিজার করেন।এদিকে তিন কন্যাশিশুকে নিয়ে বেশ খুশি তাদের নানী তাসলিমা বেগম ও দাদী মমতাজ বেগম।