প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৫, ১৭:২৬
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের তিনটি অলাভজনক স্থলবন্দর বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার এবং একটি স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ৪০তম সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন চিলাহাটি, দৌলতগঞ্জ ও তেগামুখ স্থলবন্দর বন্ধ করা হয়েছে। এছাড়া হবিগঞ্জের বাল্লা স্থলবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হবে।
এর আগে, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, আটটি স্থলবন্দরের কার্যকারিতা নিয়ে যাচাই-বাছাই শেষে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি প্রতিবেদন দাখিল করেছে। প্রতিবেদনে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা না থাকায় তিনটি স্থলবন্দর বন্ধ এবং একটি স্থলবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত রাখার সুপারিশ করা হয়।
কমিটি জানায়, চিলাহাটি, দৌলতগঞ্জ ও তেগামুখ স্থলবন্দরের জন্য নতুন অবকাঠামো নির্মাণের প্রয়োজন নেই। কারণ বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সম্ভাবনা অত্যন্ত সীমিত।
বাল্লা স্থলবন্দরের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, ভারতীয় অংশে কোনো সড়ক বা অবকাঠামো না থাকায় কার্যক্রম চালু রাখা সম্ভব নয়। তাই আপাতত অপারেশন স্থগিত রাখা হচ্ছে।
এছাড়া গোবরাকুড়া-কড়ইতলী স্থলবন্দরের দুটি স্থানের পরিবর্তে একটি স্থানে কার্যক্রম চালুর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভিন্ন স্থলবন্দর সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং একটি যাচাই কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন।
এই সিদ্ধান্তে সরকারের আর্থিক ক্ষতি কমবে এবং অকার্যকর স্থলবন্দরগুলো রক্ষণাবেক্ষণের বোঝা থেকে মুক্তি মিলবে বলে জানিয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।