প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০২৫, ১৭:৫২
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, সাবেক দুই প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) দুঃখজনক পরিণতির কারণ নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, একজনকে জুতার মালা পরানো হয়েছে, আরেকজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। এ পরিস্থিতির জন্য কে দায়ী, তা নিয়ে গবেষণা হওয়া জরুরি।
শুক্রবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিআই) ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী কোর প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমার সহকর্মী বলেছেন নির্বাচনটি ঝুঁকিপূর্ণ হবে। বিষয়টি এখানেই শেষ নয়। সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে জুতার মালা পরানো হয়েছে। আরও একজন কারাগারে আছেন। দুঃখজনক! এর পেছনে দায়ী কে, তা নিরূপণ করতে গভীর বিশ্লেষণ দরকার।
আব্দুর রহমানেল মাছউদ আশা প্রকাশ করেন, এক সময় এই বিশ্লেষণ ও গবেষণা হবে। তবে বর্তমানে যারা দায়িত্বে আছেন, তাদের আইন মেনে কাজ করতে হবে। হোয়াটস আ মেকানিজম—আমরা কীভাবে দায়িত্ব পালন করব, তা পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।
নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সমান সুযোগ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, নিজের দায়িত্ব আইন অনুযায়ী পালন করতে হবে। কারও দিকে না তাকিয়ে সংবিধান ও আইন মেনে কাজ করলে সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি হবে।
তিনি আরও বলেন, কে কী ভাবল, কী করল, সে দিকে ভ্রুক্ষেপ না করে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আইন ও সংবিধান মেনে কাজ করলেই প্রশ্ন উঠবে না এবং সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত হবে।
প্রিসাইডিং অফিসারদের ভূমিকাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা ফেয়ার ইলেকশন কনডাক্ট করার মূল ব্যক্তি। তাদের দায়িত্ব ঝুঁকিপূর্ণ হলেও আইন অনুযায়ী পালন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, তা না হলে প্রশ্ন উঠতে পারে কোনও দপ্তর বা বিভাগের প্ররোচনায় কাজ হয়েছে কি না। আমরা চাই ফ্রি ও ফেয়ার ইলেকশন, যা দেশের গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করবে।